ডেস্ক রিপোর্ট :- দৈনিক কালবেলার বরগুনা প্রতিনিধি মো. আসাদুল হক সবুজকে পিছনে দুহাত নিয়ে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ এবং স্থীরচিত্র ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। যা দেখে সবার মনেই একটা প্রশ্ন জেগেছে সাংবাদিক আসাদ সবুজ কতবড় সন্ত্রাসী যে তাকে পিঠমোড়া দিয়ে বেধে নিয়ে যেতে হবে?
পুলিশের সাথে একটা আইন শৃঙ্খলা মিটিং এ এক উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন আসামি কতবড় ভয়ংকর এবং পুলিশকে প্রতিহত করার তার শারীরিক ক্ষমতা কতখানি তার উপর নির্ভর করে তাকে গ্রেফতারের সময় বাধন দেয়া হয়। তাহলে কি সাংবাদিক এত ভয়ংকর যে তাকে পিঠমোড়া দিয়ে হ্যান্ডকাফ পড়ানো হয়েছে।
সাংবাদিক যাদের বিরুদ্ধে নিউজ করে তার বেশির ভাগই সমাজের প্রভাবশালী মহল ও দূর্নীতিবাজ। তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করলেই সাংবাদিককে চাঁদাবাজী অথবা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এ দুটি ধারাই সাংবাদিক দমনের মোক্ষম হাতিয়ার। এক্ষেত্রে সাংবাদিক গ্রেফতারে প্রভাবশালী মহলকে তুষ্ট করার জন্য পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ঐ সকল মামলা এক সময় প্রমানও হয়না। কিন্তু সাংবাদিক হয়রানির শিকার হন।
সুতরাং একজন প্রকৃত সাংবাদিক এলাকার সকলেরই পরিচিত থাকেন। পুলিশও তাদেরকে ভালো করে চেনে। মামলা থাকলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করবে কিন্তু গ্রেফতারের সময় মানবিকতা ও সন্মানের দিকটিও বিবেচনা করা উচিৎ বলে মনে করি।

