ডেস্ক রিপোর্ট : প্রচন্ড অর্থ কস্টে এবং আর্থিক দৈন দশায় নিজের চিকিৎসা না করাতে পারায় অবশেষে আত্ম/হন/নের পথ বেছে নেন দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরো চিফ পুলক চ্যাটার্জি। নিজ হাতে লেখা সুইসাইড নোট থেকে সকলের এমনই ধারনা।
শুক্রবার বরিশাল নগরীর প্যারারা রোডের সমকাল কার্যালয় থেকে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেখান থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়।
পরিবার ও সমকাল সূত্রে জানা গেছে ২০২৩ সালের মে মাসে সমকালের চাকরি থেকে তাকে অব্যহতি দেয়া হয়। তখন থেকে পুলক চ্যাটর্জি বেকার ছিলেন। নিজের চিকিৎসাও করাতে পারেননি তিনি। সমকালের নিকট তার পাওনা চেয়েও পাননি তিনি। ফলে প্রচন্ড হতাশায় তিনি আ/ত্ম/হ/ন/নের পথ বেছে নেন।
মৃ/ত্যু/র তিনদিন পর গতকাল পুলক চ্যাটার্জির স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টে ১০ লাখ টাকার একটি চেক জমা করেন দৈনিক সমকাল কতৃপক্ষ। সেই টাকা তো পেলেন পুলক চ্যাটার্জি তবে জীবিত অবস্থায় নয়।সুইসাইড নোটে তিনি সমকাল কতৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে লিখে গেছেন তার পাওনা টাকা যেন পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাস্তবে তাই হয়েছে। তবে সমকাল কতৃপক্ষ কি এ মৃত্যুর দায় এড়াতে পারেন?

