বিশেষ প্রতিবেদন :- গার্মেন্টস শ্রমিকরা তাদের ন্যুনতম মজুরি নির্ধারণ নিয়ে দাবী জানাতে পারে এটা তাদের অধিকার। কিন্তু এ অধিকার আদায় করতে গিয়ে গত কয়েকদিন ধরে যে তান্ডব দেখা গেছে তা কি একটি স্বাধীন সভ্য দেশে কাম্য ছিলো?
সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রী বলেছেন এ অস্থিরতার নেপথ্যে সীমান্তের ওপারের উস্কানী রয়েছে। সরকারের কেউ কেউ বলেছেন, রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী পন্থী শিল্প মালিকদের হাত রয়েছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, পুলিশের উপর হামলা করেছে আওয়ামী লীগ ও তার অংগ সংগঠনের ক্যাডাররা।
ধরে নিলাম সবকিছুই ঠিক আছে। কিন্তু আন্দোলনে যে শ্রমিকের প্রান গেছে তার জীবন কে ফিরিয়ে দেবে? আটশো এর মতো শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। হাজার হাজার কোটি ডলারের শিপ মেন্ট বাতিল হওয়ার উপক্রম হয়েছে। লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হওয়ার পথে।
যে বা যারাই উস্কে দিক না কেন শ্রমিকদের বোঝা উচিৎ ছিলো প্রতিষ্ঠান না থাকলে আমরা থাকব না। যে প্রতিষ্ঠানের সাথে রিজিক জড়িত আজ প্রতিষ্ঠানে ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়েছে। এ আন্দোলন এক সময় থেমে যাবে। কিন্তু যে শ্রমিকরা আন্দোলনে অংশ নিয়েছে তাদেরকেতো আর ঐ কারখানা কাজে নিবে না। এভাবে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। শিপ মেন্ট ক্যানসেল হওয়ায় এবং অর্ডার বাতিল হওয়ায় কয়েকশ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী বন্ধ হয়ে যাবে। তখন বেকারত্বের দায় কে নেবে?

