একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন : শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিবের ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা মুছিবুল হাসান রিপুর বিষয়ে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন নিউজ পেইজে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে Coastal News 24.Top এর পক্ষ থেকে একটি অনুসন্ধান চালানো হয়। উক্ত তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছে এ শিক্ষিত পরিবারটি। পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের পাটিকেলবাড়ী গ্রামের মৃত স্কুল শিক্ষক শাহাদাৎ হোসেন এর ছোট ছেলে তিনি। তার বড় ভাই ইন্জিনিয়ার মাইনুল হাসান পিরোজপুর ভোকেশনাল টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের একজন শিক্ষক। তার বোন পাশের ইউনিয়নের তিন বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য।
এলাকায় তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে তার পিতা মৃত মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন এলাকার এক কথিত সমাজপতির অবৈধ কাজের বিরোধিতা করেছিলেন। এ কারণে ঐ সমাজপতি তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাস্টার শাহাদাৎ হোসেনকে কোনো ভাবেই তার অবস্থান থেকে নড়াতে পারেনি।
মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন এর মৃত্যুর পর ঐ কথিত সমাজপতি তার দুই সরকারি চাকরিজীবি পুত্রের উপর উঠে পড়ে লেগে যায়। তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে হেনস্থা করার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। এলাকার লোকজনকে তাদের বিরুদ্ধে উচকে দিয়েও ব্যার্থ হয়। কারন এলাকার লোকজনের এ শিক্ষিত পরিবারের প্রতি রয়েছে ভালোবাসা ও সামাজিক সমর্থন। অবশেষে ঐ সমাজপতি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে কর্মরত মুছিবুল হাসানকে বিভিন্ন দূর্নীতির ট্যাগ লাগানোর চেষ্টা করে আসছে।
মুছিবুল হাসান ২০০৮ সালে চাকরিতে যোগদানের পর থেকে ঐ সমাজপতি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নামে বেনামে ডজনেরও বেশি দরখাস্ত দিয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে। কিন্তু তদন্তে ঐ সকল অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি।তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে তারই গ্রামের ইদ্রিস ফকিরের পুত্র আরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর জাল করে মুছিবুল হাসানের বিরুদ্ধে মন্ত্রনালয় ও দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদকে) দরখাস্ত করা হয়। নোটিশ পেয়ে আরিফুল ইসলাম মন্ত্রনালয় এবং দুদকে উপস্থিত হয়ে লিখিত ভাবে জানিয়ে আসেেন এ সকল দরখাস্ত তিনি করেননি।
তার নাম করে দরখাস্তের বিষয়ে আরিফুল ইসলাম Coastal News24.Top কে জানান, আমার সাথে এলাকার লোকজনের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমার এলাকার ফকির নাসির উদ্দীন নামে এক কথিত সমাজপতি এ সকল দরখাস্ত করেছে। আমি তার এহেন বাটপারির বিরুদ্ধে আইনী ব্যাবস্থা গ্রহন করব।
গণমাধ্যম ও ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত সংবাদ প্রসংগে মুছিবুল হাছান বলেন, কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করছে তাা আরিফুল ইসলামের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট প্রমান হয়ে গেছে। কোনো দুর্নীতির সাথে আমি জড়িত নই। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী বদলি এবং পদোন্নতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখানে তদবিরের কোনো প্রয়োজন হয় না।আমি সরকারি চাকরি করি এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও রাজনীতির সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

















