বিশেষ প্রতিবেদন :- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর ০২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন নির্বাচন না করলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামীম সাইদি এমপি হতেন, বিএনপিকে এ বিষয়টি অনুধাবন করতে হবে। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল ইসলাম সাইদ তার এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ছয়মাস অতিক্রম হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এর ঘোড়া মার্কার কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বিএনপি নামধারী কিছু লোক উদ্ভট মন্তব্য করে আসছে।তার প্রতি উত্তরে তিনি আরো বলেন, বিএনপি নামধারী কিছু অপরিপক্ক এবং কান্ডজ্ঞানহীন লোকজন এসব মন্তব্য করলেও বিজ্ঞ নেতা কর্মীরা তাদের মুখের লাগাম টানছেন না। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন নির্বাচনী মাঠে না থাকলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী পিরোজপুর ০২ আসন থেকে নির্বাচিত হতেন না এ বিষয়টি বিএনপিকে বুঝতে হবে।
মোঃ নাজমুল ইসলাম সাইদ আরও বলেন, এ আসনের তিনটি উপজেলার দুটি উপজেলা থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নিকট পরাজিত হন। শুধুমাত্র নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হয়ে এমপি নির্বাচিত হন। এখানে ভোটের হিসাবে দেখা গেছে ধানের শীষ যে পরিমাণ ভোটে দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়েছেন তার চেয়ে দ্বিগুণ ভোট পেয়েছেন ঘোড়া মার্কার প্রার্থী। সুতরাং হিসাব সহজ। ঘোড়া মার্কা মাঠে না থাকলে ধানের শীষের পরাজয় অবধারিত ছিলো।
তিনি বলেন, মাহমুদ হোসেন যে পরিমাণ ভোট পেয়েছেন, যদি তিনি নির্বাচনী মাঠে না থাকতেন তাহলে ঐ ভোট কখনোই ধানের শীষের পক্ষে যেত না। ঐ ভোট পড়ত দাঁড়িপাল্লার বাক্সে। সুতরাং দিন শেষে ফলাফল হতো ভিন্ন। আজ যারা মাহমুদ হোসেন ও তার কর্মী সমর্থকদের কটাক্ষ করে মন্তব্য করছে তাদের মন্তব্য করার মতো অবস্থান থাকতো না।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নাই। আগামীতে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা কি হবে আমরা কেউই জানিনা। সুতরাং ধানের শীষের লোকজনের ঘোড়া মার্কার কর্মী সমর্থকদের প্রতিপক্ষ না ভাবাই উচিৎ।

