বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ ঢাকা ৩২°
বিজ্ঞাপন — ৭২৮×৯০
ব্রেকিং
গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষ, ক্ষতির দায় কে নেবে? ৮ ঘণ্টা আগে বরিশাল বিএনপির লৌহ মানব ১০ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ১৪ ঘণ্টা আগে আশুগঞ্জে নিজ পিস্তলের গুলিতে এসআই এর মৃ*ত্যু ১৭ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠী পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভক্তির সুর পৌর বিএনপিতে ২০ ঘণ্টা আগে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত গার্মেন্টস কর্মী তৌফিক মারা গেছেন ১ দিন আগে নওগাঁ কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু ১ দিন আগে “দেশে এখন সস্তা নুন আর খুন” রাজধানীতে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হ/ত্যা ২ দিন আগে গার্মেন্টস শ্রমিক অসন্তোষ, ক্ষতির দায় কে নেবে? ৮ ঘণ্টা আগে বরিশাল বিএনপির লৌহ মানব ১০ ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ১৪ ঘণ্টা আগে আশুগঞ্জে নিজ পিস্তলের গুলিতে এসআই এর মৃ*ত্যু ১৭ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠী পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভক্তির সুর পৌর বিএনপিতে ২০ ঘণ্টা আগে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত গার্মেন্টস কর্মী তৌফিক মারা গেছেন ১ দিন আগে নওগাঁ কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু ১ দিন আগে “দেশে এখন সস্তা নুন আর খুন” রাজধানীতে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হ/ত্যা ২ দিন আগে
দেশজুড়ে

পিরোজপুর ০২ আসন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে জেপি

শেয়ার

বিশেষ প্রতিবেদন :-  বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক  মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু’র নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি জেপি’র রাজনীতি পিরোজপুর ০২ আসন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। দশম জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই পিরোজপুর ০২ আসনের সবচেয়ে বেশি ভোটার অধ্যুসিত উপজেলা নেছারাবাদে এ দলের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। নেছারাবাদ উপজেলা জেপি’র সাবেক নেতাকর্মীদের অভিযোগ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পিরোজপুর ০২ আসন থেকে নেছারাবাদ উপজেলাকে বাদ দিয়ে জিয়ানগর উপজেলাকে সংযুক্ত করে আসন পূনর্বিন্যাস করা হলে নেছারাবাদ উপজেলায় জেপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন দলীয় চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। ফলে নেছারাবাদের নেতাকর্মীদের বেশির ভাগই অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে যোগ দেয়।অবশিষ্ট নেতাকর্মীরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান। ফলে নেছারাবাদ উপজেলায় জেপির রাজনীতি বন্ধ হয়ে যায়।

এ আসনের ভান্ডারিয়া এবং কাউখালী উপজেলায় জেপির কার্যক্রম চলমান থাকে। কারণ এ দুটি উপজেলা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নির্বাচনী এলাকার মধ্যে। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সবচেয়ে বড় বিপদে পড়েন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।ঐ নির্বাচনে নেছারাবাদ উপজেলাকে পিরোজপুর ০২ আসনের সাথে সংযুক্ত করে আসন পূনর্বিন্যাস হলে নেছারাবাদে জেপির কর্মী সমর্থক পাওয়া যায় হাতে গোনা কয়েকজন। ঐ নির্বাচনে জনাব আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আওয়ামী লীগ জোট থেকে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর নিকট হেরে যান। তিনটি উপজেলায়ই নিজের সংগঠন শক্তিশালী না করার কারণে এবং আওয়ামী লীগ নির্ভর নির্বাচন করে এ পরাজয় বরন করতে হয়। ঐ নির্বাচনের পর থেকে জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সুমন মঞ্জু আর এলাকায় যাননি।

জেপির দলীয় সাংগঠনিক অবস্থা এমন পর্যায় গিয়ে পৌঁছেছে যে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন মাহিম এর মনোনয়নপত্র বৈধ হলেও কর্মী সমর্থকদের অভাবে সাইকেল মার্কা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার সাহস পায়নি।

নেছারাবাদ উপজেলায় তো পূর্ব থেকেই জেপি নাই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেখা গেছে কাউখালী ও ভান্ডারিয়ার জেপি কর্মী সমর্থকরা বিএনপি, জামাআতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সাথে মিলে গিয়ে নির্বাচন করেছেন। ফলে জেপির কর্মী সমর্থকরা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ভিতরে হারিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে জেপি থেকে চলে যাওয়া নেতাকর্মীরা জানান, দলের চেয়ারম্যানের এলাকায় না যাওয়া এবং যাদের উপর সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা তদারকি না করার কারণে জেপি পিরোজপুর ০২ আসন থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।