বিশেষ প্রতিবেদন :- দেশে বিভিন্ন অজুহাতে মব চলছে। কোনোভাবেই মব নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। কোনো মানুষের মৃত্যুকে ইস্যুকরে তৈরী হচ্ছে মব।মিথ্যা চুরির অপবাদ কিংবা প্রকৃত চোখকেও মব সৃষ্টি করে পিটিয়ে হ/ত্যা করা হচ্ছে। এলাকায় সালিশে বিচারের নামে পিটিয়ে হ/ত্যা কিংবা ধর্ষন বা শ্লীলতা হানির অভিযোগেও মব সৃষ্টি করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। পাওনা টাকার অভিযোগ তুলেও মব করা হচ্ছে। শিশু অপহরনের ঘটনা সত্য বা মিথ্যা যাই হোক না কেন মব সৃষ্টি করে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারী সাজিয়েও মব সৃষ্টি করে মানুষকে নাজেহাল এমনকি এমনকি হ/ত্যা করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
কিন্তু আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাই এসব মবের পিছনে কারো না কারো স্বার্থ জড়িত রয়েছে। মব সৃষ্টির মাধ্যমে প্রতিশোধ নেয়া এখন কালচারে পরিনত হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সায়েস্তা করার মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে মবকে ব্যাবহার করা হচ্ছে।
কিন্তু আমরা যদি পিছনে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের মদদেই মব সৃষ্টি করে মানুষকে হ/ত্যা, মারাত্মক আহত করা কিংবা বাড়ীঘর লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকার এ মবকে মৌন সমর্থন দিয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগের পতনের পর সবচেয়ে বেশি মবের শিকার হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা, তাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ঘর।
পুলিশের বিরুদ্ধেও মব সৃষ্টিতে সহায়তা করা কিংবা মবকে প্রতিহত না করার অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে। ফলে ২০২৪ এর পট পরিবর্তনে মবের শিকার হয়ে অনেক পুলিশকে জীবন দিতে হয়েছে।
সুতরাং অতীত থেকে শিক্ষা নেয়া উচিৎ মবকে যারা সাপোর্ট করেছে তাদের সবাইকেই খেসারত দিতে হয়েছে। এখন যারা মব সৃষ্টি করছে তাদের লাগাম টানা না হলে বর্তমানে যারা মবের সাপোর্ট করছে তারাও মবের শিকার হবে তাতে কোনো সন্দেহ নাই। কারন ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে।

