বিজ্ঞাপন — ৭২৮×৯০
ব্রেকিং
খুলনায় মুদি দোকানীর উপর দুর্বৃত্তের গুলি ১০ ঘণ্টা আগে যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন তরুণ নি/হ/ত ১২ ঘণ্টা আগে সড়কে ঝড়ল পুলিশ কর্মকর্তার প্রান ২০ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠীতে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ১ দিন আগে সড়কে ঝড়ল ২ প্রান ১ দিন আগে স্বরুপকাঠী বিএনপিতে চাঁদাবাজ লুটেরাদের স্থান হবেনা – আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত ২ দিন আগে দেশে এখন সস্তা নুন আর খু/ন, খুলনায় আবারও খু*ন ২ দিন আগে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সারেংকাঠীতে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ২ দিন আগে খুলনায় মুদি দোকানীর উপর দুর্বৃত্তের গুলি ১০ ঘণ্টা আগে যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন তরুণ নি/হ/ত ১২ ঘণ্টা আগে সড়কে ঝড়ল পুলিশ কর্মকর্তার প্রান ২০ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠীতে সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ১ দিন আগে সড়কে ঝড়ল ২ প্রান ১ দিন আগে স্বরুপকাঠী বিএনপিতে চাঁদাবাজ লুটেরাদের স্থান হবেনা – আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত ২ দিন আগে দেশে এখন সস্তা নুন আর খু/ন, খুলনায় আবারও খু*ন ২ দিন আগে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সারেংকাঠীতে জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ২ দিন আগে
দেশজুড়ে

স্মৃতির মনিকোঠায়, দক্ষিণের রকেট সার্ভিস

শেয়ার

স্মৃতির মনিকোঠায়, আামার দেখা :- ১৯৭৫ সালের পর থেকে যখন কিছুটা বুঝতে শিখেছি। তখন আমি প্রইমারী স্কুলের ছাত্র। তখন ঢাকা থেকে খুলনাগামী বিলাসবহুল প্যাডেল স্টিমার যা আমাদের এলাকায় রকেট নামে পরিচিত ছিলো। 

তখন সবচেয়ে বড় রকেট স্টিমারের নাম ছিলো  “গাজী ” যা সকলের মুখে মুখে গাজী রকেট নামে পরিচিত ছিলো। এছাড়াও পিএস মাসুদ, লেপচা, টার্ন, ও শহীদ বেলায়েত দক্ষিণের মানুষের কাছে খুবই পরিচিত ছিলো। এ জাহাজে চলতে পেরে অনেকে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতেন।

বৃটিশদের নদীপথে চলাচলের আভিজাত্যের প্রতীক ছিলো এ জাহাজগুি। তারা এদেশ ছেড়ে চলে গেলেও আমাদের আভিজাত্যের প্রতীক হিসাবে থেকে যায় এ প্যাডেল স্টিমার বা রকেট গুলি। আশির দশক থেকে এ জাহাজগুলো ঢাকার সদর ঘাট থেকে ছেড়ে চাঁদপুর, বরিশাল, ঝালকাঠি, কাউখালি, হুলারহাট, মাছুয়া, মোড়েলগঞ্জ, মোংলা হয়ে খুলনায় গিয়ে যাত্রা শেষ করত। রোটেশনে তিনটি জাহাজ চলাচল করত। 

আমি আমার জীবনে অনেকবার এ জাহাজে চলাচল করেছি। ফার্স্ট ক্লাস ও সেকেন্ড ক্লাশ কেবিনে চলে নিজকে ধন্য মনে করতাম। ক্রমেই জাহাজ চলাচলের এ রুট সংকুচিত হয়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মাছুয়া ঘাটে গিয়ে যাত্রা শেষ হতো। এখন তাও বন্ধ হয়ে যায়। 

বুড়িগঙ্গা নদীর রকেট ঘাটে গিয়ে দেখা যায় জাহাজগুলো অলসভাবে নদীর উপর নোংগর করে  ভেসে আছে। এখন আর তারা দৈত্যের মতো নদীপথ দাপিয়ে বেড়ায় না। এ প্রজন্ম হয়ত জানবেইনা এ ধরনের জাহাজ আছে বাংলাদেশে। তারা এগুলোকে খুজবে ইতিহাস বইয়ের পাতায়। 

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।