পেয়ারা বাগান থেকে ঘুরে এসে :- পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠীর) আটঘর কুড়িয়ানা এলাকার প্রকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বিখ্যাত পেয়ারা বাগান এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরী পোশাক শিল্প G-Tex Knitwear Ltd এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক গাজী মিজানুর রহমান এ কথা বলেছেন।
তিনি গতকাল শুক্রবার ঢাকার একদল ব্যাবসায়ীদের নিয়ে স্বরুপকাঠীর পেয়ারা বাগান অধ্যুষিত আটঘর – কুড়িয়ানা এলাকায় ভ্রমন করতে গিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন পেয়ারার মৌসুমে ভাইরাল এ এলাকায় হাজার হাজার পর্যটক প্রতিদিন ভ্রমনে আসেন। সড়ক ও নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলা আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ দর্শনার্থী পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারার হাট দেখতে এখানে আসেন। কিন্তু এত লোকসমাগম হলেও এখানে নেই খাওয়া দাওয়ার জন্য কোনো হোটেল রেষ্টুরেন্ট। এখানে রাত্রী যাপনের জন্য নেই কোনো আবাসিক হোটেল বা রিসোর্ট। সন্ধা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সকলেই এ এলাকা ত্যাগ করে চলে যায়।
তিনি বলেন হাজার হাজার লোকের সমাগম হলেও নেই কোনো শৌচাগারের ব্যাবস্থা। যত্র তত্র প্রাকৃতিক কার্য সমাধান করতে গিয়ে নোংরা এলাকায় পরিনত হচ্ছে। গাজী মিজানুর রহমানের টিমের এক ব্যাবসায়ী সদস্য শ্রীলংকার একটি পর্যটন এলাকার সাথে তুলনা করে বলেন, সেখানকার বাগানের সাথে এখানের বাগানের মিল রয়েছে। কিন্তু সরকারের নিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থার জন্য সেখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর। প্লাস্টিকের বোতল এবং পলিথিনের কারণে এখানে খাল ও বাগান এলাকায় যে আবর্জনার স্তুপ তৈরি হয়েছে শ্রীলংকায় পরিবেশ বান্ধব কঠোর আইন মেনে চলায় এলাটি সুন্দর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রয়েছে।
এ প্রসংগে গাজী মিজানুর রহমান রহমান বলেন, এলাকার পেয়ারা চাষীদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। ২৫ বছর পূর্বেও এলাকাটি পেয়ারা বাগান হিসাবে পরিচিত থাকলেও অন্যান্য ফল এবং ফসলের উৎপাদনের ফলে পেয়ারা বাগান তার স্বকীয়তা হারাতে বসেছে। আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পেয়ারা বাগানে উপচে পড়া পর্যটকদের ধরে রাখার জন্য অবশ্যই সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা একান্ত প্রয়োজন।


















