বিশেষ প্রতিবেদন :- শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরবেন। আত্নসমর্পণ করে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলার আইনী মোকাবেলা করবেন। দেশে বিদেশে থাকা সকল নেতাকর্মীদের তৈরী থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্সকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারকে নিয়ে দেশের আওয়ামী লীগ মহল খুবই উৎফুল্ল। দেশের সরকারি মহলও তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন আইনের বাধ্য বাধকতা নিয়ে ব্রিফিং দিচ্ছেন।
আমরা যদি স্বাভাবিকভাবে হিসাব করি তাহলে দেখতে পাই ওনার দেশে ফেরা তার নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভর করছে না। সে যখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তখন পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই দেশ ছাড়েন। এখন তাকে দেশে ফিরতে হলে বোর্ডিং পাস ছাড়া দেশে ফেরা কি সম্ভব ? বাংলাদেশ সরকার কি তাঁকে বোর্ডিং পাস দেবে?
ধরা যাক সরকার তাকে বোর্ডিং পাস দিলো। কিন্তু তার বিরুদ্ধে রয়েছে গ্রেফতারী পরোয়ানা। দেশের মাটিতে পা রাখা মাত্রই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে। তিনি কিভাবে আদালতে আত্নসমর্পণ করবেন? আদালত পর্যন্ত তিনি তো পৌঁছাতেই পারবেন না।
এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল থেকে মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ঐ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় সীমাও ইতিমধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং তাকে নাগালে পাওয়া মাত্রই মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা যাবে। যেমনিভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামী ক্যাপ্টেন মাজেদকে ইন্ডিয়া থেকে ধরে এনে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার এতই মাথা খারাপ হয়েছে যে সে নিজে ধরা দিয়ে ফাঁসির দড়ি গলায় পড়বেন! অবশ্যই তিনি দেশে ফিরবেন না।
সবকিছু বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় আওয়ামী লীগের দেশে থাকা নেতাকর্মীদের বর্তমান পলায়নপর অবস্থা থেকে তাদেরকে উৎফুল্ল করার জন্যই তিনি এ ঘোষনা দিয়েছেন। এর আগেও তিনি চট করে ঢুকে পড়ার ঘোষণা দিয়ে দেশে থাকা নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলেছেন।
সুতরাং তিনি দেশে ফিরছেন না। আওয়ামী লীগকে চাংগা করার জন্যই তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।


















