মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঢাকা ৩২°
বিজ্ঞাপন — ৭২৮×৯০
ব্রেকিং
ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বরখাস্ত ১০ ঘণ্টা আগে চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য ঢাকায় গ্রেফতার ১৪ ঘণ্টা আগে এমপি নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর প্রথম স্ত্রীর ১ দিন ১ দিন আগে বিএনপির দুর্দিনে ছিলাম, আবারও থাকব – মাহমুদ হোসেন ১ দিন আগে “স্বরুপকাঠীর ইউপি নির্বাচনের হালচাল ” গোয়েন্দা রিপোর্টে কপাল পুড়বে অনেক বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ১ দিন আগে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃ/ত*দেহ উদ্ধার ২ দিন আগে দেশে এখন সস্তা নুন আর খু*ন, টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হ*ত্যা ২ দিন আগে শ্যামনগরে ছাত্রলীগ সেক্রেটারি গ্রেফতার ২ দিন আগে ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বরখাস্ত ১০ ঘণ্টা আগে চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য ঢাকায় গ্রেফতার ১৪ ঘণ্টা আগে এমপি নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর প্রথম স্ত্রীর ১ দিন ১ দিন আগে বিএনপির দুর্দিনে ছিলাম, আবারও থাকব – মাহমুদ হোসেন ১ দিন আগে “স্বরুপকাঠীর ইউপি নির্বাচনের হালচাল ” গোয়েন্দা রিপোর্টে কপাল পুড়বে অনেক বিএনপি দলীয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ১ দিন আগে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃ/ত*দেহ উদ্ধার ২ দিন আগে দেশে এখন সস্তা নুন আর খু*ন, টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হ*ত্যা ২ দিন আগে শ্যামনগরে ছাত্রলীগ সেক্রেটারি গ্রেফতার ২ দিন আগে
বিশ্ব

মুসলমানদের টাইট দিতে গিয়ে এখন নিজেরাই টাইট

শেয়ার

বিবিসি বাংলার সংবাদ সংকলন:-  ভারতের পশ্চিমবংগে কোরবানির গরু কান্ডে এখন গরু খামারিদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। ১৯৫০ সালের একটি আইনকে বাস্তবায়ন করতে গিয় কোরবানির গরু বিক্রি নিয়ে শুরু হয় হুলুস্থুল অবস্থা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি বাংলায় প্রচারিত একটি প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে গরু খামারীদের আহাজারি। বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন হিন্দু খামারিদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।বলতে শোনা গেছে হিন্দুত্ববাদী  শুভেন্দুর সরকার এখন হিন্দুদেরই বড় সর্বনাশ করল। তারা বলছেন আমরা বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু কিনে এনে লালন পালন করি কোরবানিতে বিক্রি করার জন্য।

এ বিষয়ে এক নারী খামারী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছি। একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। জানিনা কিভাবে সংসার চলবে কীভাবে ঋণশোধ করব। অন্য এক খামারী বলেন, দোকান থেকে বাকীতে খাবার কিনে গরু লালন পালন করেছি। ঈদের পরেই টাকা শোধ করার কথা কিন্তু একটি গরুও বিক্রি করতে পারিনি। এদিকে দোকানদার টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে। তারা যদি খাবার সরবরাহ বন্ধ করে দেয় তাহলে গরু বাঁচাবো কিভাবে ।

এদিকে শুভেন্দুর এক ঘনিষ্টকে বলতে শোনা গেছে ১৯৫০ সালের ঐ আইনে গরু কোরবানীর বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ নাই। এটা সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর বিরোধীদের একটি চাল।

কিন্তু এক মুসলিম নেতাকে বলতে শোনা গেছে গরু কিনে নিয়ে আসার সময় পথে পথে হিন্দুদের দ্বারা নাজেহাল হতে হয়। যার কারণে মুসলমানরা গরু কেনা থেকে বিরত রয়েছে। তিনি বলেন মুসলমানদের টাইট দিতে গিয়ে এখন নিজেরাই টাইট হয়ে গেছে। তাদের উপর এখন হিন্দুরাই ক্ষেপেছে। তাদের খামখেয়ালিপনার জন্য এখন গরু খামারিরা পরেছে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির মধ্যে।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।