বিজ্ঞাপন — ৭২৮×৯০
ব্রেকিং
মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতা নি/হ/ত ৩১ মিনিট আগে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গ্রেফতার ১২ ঘণ্টা আগে গার্মেন্টস সেক্টর থেকে রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন, সে টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়ে দিন ১৬ ঘণ্টা আগে ‘খু*নের জনপদ খুলনা ‘ চলতি বছরের ৭৭ নাম্বার খু*ন ১ দিন আগে ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার ১ দিন আগে শিল্প প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য সীমান্তের ওপার থেকে উস্কানী দিচ্ছে ১ দিন আগে ভান্ডারিয়ায় ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১ দিন আগে গার্মেন্টস শ্রমিককে পুলিশের আছাড় ১ দিন আগে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতা নি/হ/ত ৩১ মিনিট আগে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গ্রেফতার ১২ ঘণ্টা আগে গার্মেন্টস সেক্টর থেকে রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন, সে টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়ে দিন ১৬ ঘণ্টা আগে ‘খু*নের জনপদ খুলনা ‘ চলতি বছরের ৭৭ নাম্বার খু*ন ১ দিন আগে ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার ১ দিন আগে শিল্প প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য সীমান্তের ওপার থেকে উস্কানী দিচ্ছে ১ দিন আগে ভান্ডারিয়ায় ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১ দিন আগে গার্মেন্টস শ্রমিককে পুলিশের আছাড় ১ দিন আগে
রাজধানী

গার্মেন্টস সেক্টর থেকে রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করুন, সে টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়ে দিন

শেয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট :-  রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল ইসলাম সাইদ   গার্মেন্টস সেক্টর থেকে  রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করে সে টাকা দিয়ে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

রপ্তানিমূখী পোশাক শিল্পের শুরু থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নানান উপলক্ষ দেখিয়ে ডোনেশনের নামে চাঁদা তুলে আসছে যা আজও অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, বাস্তবতার আলোকে দেখেছি কোথাও কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার গন্ধ পেলেই রাজনৈতিক দলের পরিচয়, বড় ভাইয়ের লোক, বিভিন্ন ক্লাবের পরিচয় দিয়ে গার্মেন্টস মালিকদের নিকট চাঁদাবাজরা উপস্থিত হয়। এছাড়াও রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন মিটিং মিছিলেও ডোনেশনের নামে সে এলাকার ছোট বড়ো সকল প্রকার শিল্প প্রতিষ্ঠানের উপর চাঁদা ধার্য করা হয়। শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ঝামেলা এড়াতে গোপনে তাদের দাবী মিটিয়ে দেয়। 

কোনো কারখানার অতিরিক্ত কাপড় ও ঝুটা বিক্রির গন্ধ পেলেই স্থানীয় চাঁদাবাজরা উপস্থিত হয়ে তাদের একটা অংশ নিয়ে  নেয়। এ বাড়তি উপার্জন থেকে শিল্প মালিকরা শ্রমিকদের কল্যানে ব্যায় করতে পারত। যা চলে যাচ্ছে চাঁদাবাজদের পকেটে। 

তিনি বলেন বছর শেষে হিসাব করলে দেখা যায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের একটা মোটা অংকের টাকা চলে যাচ্ছে চাঁদাবাজদের পকেটে। তিনি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান জানিয়েছেন। 

 

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।