†সাক্ষাৎকারমূলক প্রতিবেদন :- আজ ০৮ আগস্ট ২০২৬ ইং। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের সেহাংগল গ্রামের মানুষের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এদিন সেহাংগলের অশান্তি সৃষ্টিকারী কুশীলবরা তাদের নিজেদের মুখোশ জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন। Coastal News 24.Top কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল ইসলাম সাইদ।
তিনি বলেন, একসময়ের আদর্শ গ্রাম হিসাবে পরিচিত সেহাংগল গ্রামকে বিগত প্রায় ২০ বছর যাবৎ অশান্তির জনপদে পরিনত করে রেখেছে এ সমাজপতি নামধারী কুশীলবরা। গ্রামে মামলা, হামলা, মাদক ব্যবসা, সালিশ বানিজ্যে ও নোংরা রাজনীতি সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে আসছে এ কুশীলবরা। এদের একটি অংশ এলাকায় বসবাস করে এবং আরেকটি অংশ ঢাকায় বসবাস করে এলাকার সকল প্রকার নোংরামি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
নাজমুল ইসলাম সাইদ বলেন, এ কুশীলবদের সবাই চেনে এবং জানে কিন্তু কেউ তাদের নাম মুখে উচ্চরন করত না। কিন্তু অতি সম্প্রতি কয়েকটি বিতর্কিত কর্ম কান্ডের কারণে এলাকার লোকজন তাদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়। সংবাদ সন্মেলন সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়ে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে শুরু করে। তারা এলাকার জনসাধারণের মধ্যে কুট নৈতিক চালের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করে আসছিলো।এসব কুশীলবরা এলাকাবাসীর চাপে পড়ে আজ ঢাকায় মিলিত হয়ে নিজেদের মধ্যে একটা সমঝোতা করেন। তারা নিজেরাই প্রমান করে দিয়েছেন ছবিতে যাদেরকে দেখা যাচ্ছে তারাই সেহাংগল গ্রামের অশান্তির হোতা।
তিনি আরো বলেন, এ সমাজপতিরা এলাকায় মামলা হামলার নির্দেশ দিয়ে যুব সমাজের মধ্যেও বিভাজন সৃষ্টি করেছে। যে সব যুবক তাদের নির্দেশে মামলা হামলায় জড়িয়েছে তাদের গ্রামে রেখে ওনারা ঢাকায় কোলাকুলি করে ফটোসেশান দিয়েছে। কিন্তু এলাকায় যে বিভাজনের বীজ বপন করেছে তার মূল উৎপাটন করবে কে?
মোঃ নাজমুল ইসলাম সাইদ বলেন, ঐ কুশীলবরা বিগত ১/১১ সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অস্ত্র মামলা দিয়ে আমাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল। গত সংসদ নির্বাচনের সময় তারাই আমার বাড়িতে সন্ত্রাসী বাহিনী পাঠিয়ে হামলা ও ভাংচুর করিয়েছে।
এখন জনরোষের মুখে পড়ে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করেছে। এ প্রজন্ম এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তারা যে সমাজের খারাপ লোক ছিলো তা নিজেরাই তুলে ধরেছে।তিনি বলেন, তাদের চরিত্র কতখানি পরিবর্তন হয় তা দেখার জন্য আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।

