বাগেরহাট সংবাদদাতা :- বাগেরহাটের খানজাহান আলী দরগা দীঘির অপসারণকৃত কুমিরটিকে ফিরিয়ে আনার জন্য নানাবিধ ফন্দি আঁটতে শুরু করেছে মাজার ব্যাবসার মাধ্যমে উপার্জনকারী ভন্ড চক্র। গত চারদিন যাবৎ তাদের মাংস ব্যাবসায় খরা চলছে। কুমির নাই মূর্খ মানতকারীরা হাঁস-মুরগি গরু-ছাগল নিয়ে মাজারে যাচ্ছে না। ঐ সকল মানতকৃত প্রানীর উপর নির্ভর করে যাদের জীবিকা নির্বাহ হত তারা পড়েছে বে -কায়দায়। তারা কুমির ফিরিয়ে আনার জন্য নানা ধরনের যুক্তি উপস্থাপন করছেন মিডিয়ার সামনে।
কেউ কেউ বলেছেন কুমির আর খান জাহান আলীর মাজার একে অপরের সাথে অংগাংগিভাবে জড়িত। যদি দীঘিতে কুমির না থাকে তাহলে দর্শনার্থী ও পর্যটকদের আনাগোনা কমে যাবে। খানজাহান আলী দরগা তার ঐতিহ্য হারাবে।
তারা এ বলে যুক্তি দ্বারা করে বক্তব্য রাখছেন যে, ঐ শিশুটিকে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া ছিলো একটি দূর্ঘটনা। এরকম দুর্ঘটনা থানায়ও ঘটে। তাই বলে কি থানা সরিয়ে নেয়া বা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কেউ বলেছেন, সুন্দরবনে বাঘে মানুষ খেয়ে ফেলার অনেক নজীর রয়েছে। তাই বলে সুন্দরবন থেকে সব বাঘ কি অপসারণ করা হয়েছে।
তাদের এসকল যুক্তির পিছনে কারণ একটাই কুমিরের সাথে তাদের রিজিক জড়িত। এখন অবৈধ আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে গেছে। তাই তাদের নানামুখী তৎপরতা।
ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কুমির কারো মনোবাসনা পূর্ণ করতে পারে না। মূর্খ লোকজন কুমিরের কাছে পশু পাখি মানত করে বিদআতি কাজ করত। গত তিনদিন ধরে তা বন্ধ রয়েছে। এ বিদআত বন্ধ ও ভন্ড মাজার পুজারিদের গতর না নাড়িয়ে অন্যের টাকায় ভুরিভোজ বন্ধ হওয়ায় প্রশাসন ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।


















