শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঢাকা ৩২°
বিজ্ঞাপন — ৭২৮×৯০
ব্রেকিং
জাসাস জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সুশৃঙ্খল সংগঠন – আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত ২ ঘণ্টা আগে আবারও খুলনা, চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হ*ত্যা ৭ ঘণ্টা আগে জঙ্গল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পুত্রে0০র মৃতদেহ উদ্ধার ৯ ঘণ্টা আগে নেতৃত্ব শুন্য স্বরুপকাঠী বিএনপি, কবে হবে সংকট নিরসন? ১২ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্ভোদন ১ দিন আগে গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হতে যাচ্ছেন জালিস মাহমুদ কিরন ১ দিন আগে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে হেরে গেলে প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিল – বরকত উল্লাহ বুলু ১ দিন আগে সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এইচ এম সোহেল পারভেজ ১ দিন আগে জাসাস জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সুশৃঙ্খল সংগঠন – আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত ২ ঘণ্টা আগে আবারও খুলনা, চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হ*ত্যা ৭ ঘণ্টা আগে জঙ্গল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পুত্রে0০র মৃতদেহ উদ্ধার ৯ ঘণ্টা আগে নেতৃত্ব শুন্য স্বরুপকাঠী বিএনপি, কবে হবে সংকট নিরসন? ১২ ঘণ্টা আগে স্বরুপকাঠীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্ভোদন ১ দিন আগে গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হতে যাচ্ছেন জালিস মাহমুদ কিরন ১ দিন আগে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে হেরে গেলে প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিল – বরকত উল্লাহ বুলু ১ দিন আগে সমূদয়কাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এইচ এম সোহেল পারভেজ ১ দিন আগে
দেশজুড়ে

গ্রামীন সালিশ বৈঠকে সাংবাদিকের কাজ কি – মন্তব্য কলাম

শেয়ার

মন্তব্য কলাম  :- পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধ মিমাংসায় এখনো সালিশ ব্যাবস্থার গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত স্বামী-স্ত্রী, আপন ভাই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, প্রতিবেশীর সাথে জায়গা নিয়ে সমস্যা, ভুল বোঝাবুঝির কারনে হঠাৎ মারামারি ইত্যাদি সমস্যার সমাধান স্হানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মিমাংসা করা হয়।এ ধরনের মিমাংসায় উভয় পক্ষই সম্মত হয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সালিশক হিসাবে নির্বাচিত করেন। স্হনীয় জনপ্রতিনিধিরাও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাদের সিদ্ধান্তই মেনে নেয়ার অংগীকার করে  বিবাদমান উভয় পক্ষ।

সবকিছু ঠিক করে নির্ধারিত দিন ও সময়ে একটি সুবিধাজনক স্থানে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশক এবং উভয় পক্ষের লোকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে যথারীতি কার্যক্রম শুরু করেন। হঠাৎ দেখা যায় স্থানীয়ভাবে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কোনো এক ব্যক্তি অথবা একাধিক ব্যক্তি কাঁধে ক্যামেরা অথবা হাতে দামী মোবাইল ফোনসহ ভাবসাব নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। তাদেরকে বসতে দেয়া নিয়ে কিছুক্ষণের জন্য বৈঠকে বিঘ্নেরও সৃষ্টি হয়।

সালিশ কমিটির সদস্য না হয়েও তারা বৈঠকে অযাচিত হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে। যে কোনো এক পক্ষের হয়ে কথা বলে এবং ছবি তুলে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এসব কথিত সাংবাদিকদের নেই কোনো পেশাগত শিক্ষা। নেই কোনো নির্দিষ্ট আয়ের উৎস। তারা বিবাদমান কোনো এক পক্ষের ভাড়াটিয়া হিসেবে উপস্থিত হয়। টাকার বিনিময়ে যে পক্ষের হয়ে আবির্ভাব হয় তাকে জিতিয়ে নেয়ার জন্য একটি হুলুস্থুল অবস্থার সৃষ্টি করে। অবশেষে অনেক সময় সালিশ বৈঠক ভন্ডুল হয়ে যায়।

এখানে সালিশ বৈঠক সংশ্লিষ্টদের মনে রাখতে হবে সালিশ কমিটির সদস্যদের অনুমতি ছাড়া এখানে কেউ কথা বলার অধিকার রাখে না। আর ঐ সকল মূর্খ সাংবাদিক নামধারীদের বসতে  দেয়া তো পরের কথা তাদেরকে বৈঠক স্থলে প্রবেশ করতেও দেয়া উচিৎ নয়। এটা অনুধাবন করতে হবে ঐ সাংবাদিক নামধারী কারো না কারো পক্ষ হয়ে ভাড়ায় খাটতে এসেছে।

এখানে বিবাদমান পক্ষকেও বুঝতে হবে সালিশ বৈঠকে যার সিদ্ধান্ত দেয়ার অধিকার নাই তাকে কেন টাকা খরচ করে ভাড়া করে নিয়ে আসছি। সে তো কিছুই করার অধিকার রাখে না। এটা জানতে হবে সালিশ বৈঠকে সাংবাদিকের কোনো কাজ নাই। সুতরাং ঐ সকল সাংবাদিক নামধারীদের এড়িয়ে চলুন। নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে নিজের পরিবার সন্তানকে অভুক্ত রেখে ঐ সকল সাংবাদিক নামধারীদের রুটি রোজগারের ব্যাবস্থা করা থেকে বিরত থাকুন।

বিজ্ঞাপন

আপনার মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।