বিশেষ প্রতিবেদন :- আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক সপ্তাহ আগেও মাঠে ময়দানে চেয়ারম্যান- মেম্বার পদপ্রার্থীদের পদচারণায় মুখরিত ছিলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও রংবেরঙের ফটো কার্ডে সয়লাব ছিলো। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে দাখিল করা একটি রিটের কারনে থমকে গেছে সকল প্রকার প্রচারনা।
দাখিলকৃত ঐ রিটে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ও ইউপি সদস্যদের সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস নির্ধারণ করার জন্য আবেদন করা হয়। মহামান্য হাইকোর্ট ঐ আবেদন আমলে নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্য স্নাতক ও মেম্বার প্রার্থীদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস কেন নির্ধারণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রিট দাখিলের তারিখ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এখন রিটের সিদ্ধান্ত যা-ই হউক না কেন আপাতত প্রচারনা প্রায় থেমে গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের পিরোজপুর,ঝালকাঠি, বরগুনা ও বরিশাল জেলার কয়েকটি উপজেলার বেশ কিছু ইউনিয়ন ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে। Coastal News 24.Top এর অনুসন্ধানে আরো দেখা গেছে এমন কয়েকটি ইউনিয়ন রয়েছে যেখানে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের একজনও স্নাতক ডিগ্রিধারী নয়। ইউপি সদস্য পদপ্রার্থীদের বেশীরভাগ ভাগই হাইস্কুলের চৌকাঠ পার হয়নি। কিন্তু তারা আটঘাট বেধে মাঠে নেমেছিল।
অনেক হবু প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে,তাদের ধারণা শিক্ষাগত যোগ্যতার এ বাধ্যবাধকতা কার্যকর হবেনা। তারা বলেন ইউপি নির্বাচনেের সম্ভাব্য তারিখ পিছিয়ে যাওয়ায় আমরা কিছুটা তোরজোড় কমিয়ে দিয়েছি। শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী না হওয়া পদপ্রার্থীরা আশাবাদী এ নিয়ম কার্য হবেনা এবং তারাই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে।

