মন্তব্য কলাম : আজকের মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এক শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ঐ সমাবেশে একজন শিক্ষকের জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে বক্তব্যের ভিডিও নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
কিন্তু স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করলে এটাই দেশব্যাপী বিএনপির প্রকৃত চিত্র। এখানে বক্তব্য প্রদান করা ঐ শিক্ষকের কোন দোষ ধরার কথা নয়। হয়ত তিনি দীর্ঘদিন আওয়ামী রাজনীতি করেছেন। গত ১৭ বছরে দেশে অন্য কোনো শ্লোগান ছিল না। খোঁজ নিলে দেখা যাবে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ঐ শিক্ষক টাকার বিনিময়ে কোনো বিএনপি নেতার হাত ধরে খোলস পাল্টয়েছে। কিন্তু তার ভিতরটা পাল্টাতে পারেনি।তাই মনের যা কথা তাই প্রকাশ পেয়েছে।
দেশের বিএনপির সার্বিক অবস্থাই এখন এরকম। এ শ্লোগান নতুন নয়। ০৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেকগুলি অনুষ্ঠানে জয়বাংলা শ্লোগান হয়েছে। এটা বিএনপির জন্য এখন কোনো সমস্যাই নয়। কারণ হিসাবে দেখা গেছে যেখানে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিএনপির মিটিং মিছিলে লোক পাওয়া যেতো না। সেখানে আজ বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের ছড়াছড়ি। এগুলো বিএনপির হাতের কামাই। এসব জয়বাংলা শ্লোগান দেয়া হাইব্রিডদের ধাক্কায় এখন অরিজিনাল বিএনপি কোনঠাসা। প্রকাশ্যে শেখ হাসিনার গুনগান গাওয়া নারী এখন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি। এ সকল কান্ড কারখানা দেখে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ভর করেছে।
আমরা দেখে শুনে লিখছি, মন্তব্য করছি। কিন্তু কোনো দলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আমাদের মতো গণমাধ্যম কর্মীর নাই। যা দেখছি তা লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরছি।সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের।


















